সিলেটে বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও চারজন আহত হয়েছেন। শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকায় ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন—ওসমানীনগর থানার খাদিমপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রাইভেটকার চালক হারুন মিয়া ও তার মেয়ে আনিছা বেগম (১০)। আহতরা হলেন—খাদিমপুর গ্রামের মুকিত মিয়া (৩৫), আজিজুল ইসলামের স্ত্রী রাহিমা খাতুন (৩০), বেলাল আহমদের স্ত্রী পান্না বেগম (২৩) ও সফিক মিয়ার মেয়ে মুন্নি আক্তার (২৩)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সিলেট থেকে হবিগঞ্জগামী একটি বাসের সঙ্গে তাজপুর থেকে সিলেটগামী প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান চালক হারুন মিয়া।
খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাইভেটকারে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসক আনিছা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, “বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন একই পরিবারের চার সদস্য। প্রাইভেটকার ও বাস আটক করা হয়েছে। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।”
মন্তব্য করুন