মামুনুর রশিদ মামুনকে সভাপতি ও মাহফুজুর রহমান রিটনকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী মহানগর বিএনপির ১৪ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে দলটি। শনিবার (১ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে (সংশোধনী) এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
নতুন আংশিক কমিটিতে দায়িত্ব পাওয়া অন্য সদস্যরা হলেন— সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল হুদা, সহসভাপতি আসলাম সরকার,সহসভাপতি ওলিউল হক রানা,সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আলী আশরাফ মাসুম,
সহসভাপতি সফিকুল ইসলাম সাফিক,সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট,সহসভাপতি মুক্তার হোসেন,সহসভাপতি জয়নাল আবেদিন শিবলী,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুল হুদা মন্টু,সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম মিলু,সদস্য এরশাদ আলী ঈসা এবংসদস্য মো. মাইনুল আহসান (পান্না)।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী আহমেদ বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়। কেউ যদি বিএনপির নাম ব্যবহার করে অপকর্মে জড়ায়, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি অভিযোগ করেন, “কোনো ঘটনা ঘটলেই বিএনপির ওপর দায় চাপানো এখন অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। রাউজানে কিছু সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছে, অথচ কয়েকটি গণমাধ্যমে বলা হলো তারা বিএনপির লোক—এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
রিজভী আরও বলেন, “সরকার সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, বরং ঢিলেঢালা আচরণ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নেই। নিত্যপণ্যের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানো হচ্ছে, অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এতে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।”
তিনি বলেন, “বিএনপি গত ১৫ বছরের অত্যাচার ও অবিচার থেকে মুক্তির জন্য আন্দোলন করেছে। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই সংগ্রাম চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। জনগণ কিছুটা স্বস্তি পেলেও এখনো পুরোপুরি নিরাপদ নয়।”
এ সময় বিএনপির যুগ্ম সচিব আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, আমিনুল ইসলাম ও রমেশ দত্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন