মধ্যরাতে মিয়ানমারে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার নিচে। উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকার কাছাকাছি।
ভূমিকম্পের কম্পনে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। গভীর রাতে এমন কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন অনেক নাগরিক।
তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে আকস্মিক এই ভূমিকম্পে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগের দিন শনিবার বিকেলেও দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে হওয়া ওই ভূমিকম্পে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
জানা গেছে, শনিবারের ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া এলাকা। ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি উৎপত্তি হওয়ায় সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কম্পন তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়।
লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ঝাঁকুনির কথা জানিয়েছেন। কয়েক সেকেন্ডের এই কম্পনে আতঙ্কিত হয়ে অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
মন্তব্য করুন