স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের মতে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন একসঙ্গে ও দ্রুত করা জরুরি, নতুবা অনেক প্রতিষ্ঠানের মেয়াদ শেষ হয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে কার্যত কোনও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কার্যকর নেই।
কমিশন তাদের সুপারিশের সারসংক্ষেপ ১৯ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেয়। তারা প্রস্তাব করেছেন, মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করে জুনের মধ্যে ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে।
কমিশনের মতে, পাঁচ বছরে একবার মাত্র দুই মাস সময়ে এই সমন্বিত নির্বাচন করলে সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে। নতুন আইনে পরিষদের কার্যক্রম, স্থায়ী কমিটি, জনবল ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয় আধুনিকায়ন করা হবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের কমিশন কাজ করছে, যেখানে শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও গবেষকরা অন্তর্ভুক্ত আছেন। তারা এপ্রিলের মধ্যে আইন প্রণয়নের খসড়া চূড়ান্ত করতে প্রস্তুত। তবে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক ঐক্যমত্য থাকলে তবেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মনে করছেন কমিশন সদস্যরা।
এই সংস্কার প্রক্রিয়া সফল হলে স্থানীয় সরকার আরও কার্যকর ও জনবান্ধব হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন