
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “বৈষম্যহীন দেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক অধিকার ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি, এসব অধিকার নিশ্চিত করেই একটি রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক ও ন্যায়সংগত হয়ে উঠবে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সভায় ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ছাত্রজনতার গণআন্দোলন চলাকালে আহত ফটো-সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়।
তারেক রহমান বলেন, “বিশ্বের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন হচ্ছে জনগণের মতামত প্রকাশের একমাত্র মাধ্যম। ইউনিয়ন নির্বাচন হোক বা জাতীয় নির্বাচন, ভোটের মাধ্যমেই জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।” তিনি আরও বলেন, “যত দেরি হবে নির্বাচন, তত ষড়যন্ত্রের মাত্রা বাড়বে, যাদের দেশীয় সম্পদ লুট করেছে, তারা এসব ষড়যন্ত্রে অর্থ খরচ করবে।”
তিনি বলেন, “যত দ্রুত জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া যাবে, তত দ্রুত দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে আসবে।”
তারেক রহমান পূর্বে আওয়ামী লীগ সরকারকে দায়ী করে বলেন, “পূর্ববর্তী ১৫ বছরে ক্ষমতাসীনরা দেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা বিকিয়ে দিয়েছে। তারা অন্য দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেছে, দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা না করে।”
বিএনপির সংস্কারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বর্তমানে যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর জন্য আমরা অনেক আগেই আহ্বান জানিয়েছি।” তিনি জানান, “দেশের রাষ্ট্রকাঠামো মেরামত করতে ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে বিএনপি কাজ করছে। এর লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন, যেখানে মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি থাকবে।”
তারেক রহমান নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সমস্যার সমাধান এবং দ্রুত রাজনৈতিক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন